Thursday, 10 November 2022
শ্রদ্ধাত্রয়ো যোগ সপ্তদশ অধ্যায়--অনুবাদ তথা গল্প রূপান্তর --বীরেন্দ্রনাথ মন্ডল
সম্পাদকীয়--

আকাশের দিকে তাকালে আমরা এক অনন্তকালের আভাস খুঁজে পাই। এই অনন্তকাল কিন্তু কোথাও থেমে থাকে না, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সে চলমান। এই জীবন, জীবন মানে, গণ্ডিবদ্ধ এক সীমারেখা। একটা কাল থাকে যখন পৃথিবীর মূল্যবান বস্তু জড়ো করে আমরা ঘর ভরি। ভবিষ্যতের জন্য গুটিয়ে রাখতে চাই অর্থ, কড়ি, ধন-রত্ন। স্বার্থপরতার চরম সীমা লংঘন করে অনেকে শুধুমাত্র ব্যক্তি স্বার্থে আতিশয্যের পাহাড় দাঁড় করাতে চায়--সব কিছুকে টাকা-পয়সার মূল্যে গুনে নিতে চেষ্টা করে। সেখানে নিঃস্বার্থ ভাবনা লেশ মাত্র থাকে না।
এক অর্থ পিপাসু ব্যক্তি লেখককে প্রশ্ন করেন, তুমি দিনভর কি এমন লেখো ! এতে কত পয়সা পাও ?
লেখক বলেন, যত সামান্য।
-- তবুও কত বল ?
-- এই মাসে পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকা--
-- ফুঃ, এই জন্য এত প্রাণপাত ?
এক অর্বাচীন লেখক বললেন, আমি তো কিছুই পাই না !
তাকে কি বলা যায়, অর্থ পিপাসু ব্যক্তি মুখে তখন কোন ভাষা খুঁজে পান না, কেমন তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে ওঠেন।
কিন্তু আমরা লেখক কবিরা জানি যে লেখাতে কতটা মনের খোরাক ভরা থাকে। মন সন্তুষ্টি, মানে জীবনের অর্ধ সন্তষ্টির প্রাপ্তি। লেখা আমাদের নেশা, পেশা নয়, মন স্বাস্থ্যের উপযোগী নিঃস্বার্থ ভাবনার দ্যোতক।
মানুষের ভালো থাকা না থাকার ব্যাপারটা তো সম্পূর্ণ মনের। লেখা মন ভরায়, নিজের জন্যে, অন্যের জন্যে, সেখানে অর্থ নেই, স্বার্থ নেই, সময় মাপের প্রাপ্তি নেই।
এবার ফিরে আসি আসল প্রসঙ্গে, এবার আমাদের গল্পের ব্লগ ও ই- পত্রিকা বর্ণালোক প্রকাশিত হচ্ছে। বারবার লেখক, পাঠকবর্গ ও সর্বসাধারণকে এই পত্রিকা পড়ে দেখতে অনুরোধ জানাই। ধন্যবাদ--
তাপসকিরণ রায়।
সম্পাদকীয়:
রথের রশিতে টান দিয়ে সেই যে শুরু হয়ে যায় উৎসবের বাদ্যি বেজে ওঠা,এক এক করে পূজোর যেন মিছিল শুরু হয়ে যায়।দুর্গা পূজা ,লক্ষ্মী পূজা,কালী পূজা পার হতে না হতেই ছট্ পূজার সমারোহে মন মেতে ওঠে। এত উৎসবের মধ্য দিয়ে যেতে যেতে কখন যেন বেলা ছোট হতে শুরু করে। হেমন্তের বেলা বড়ো স্পর্শকাতর! বড়ো তাড়াতাড়ি বেলা ফুরিয়ে ,ঝুপ করে সন্ধ্যা আসে নেমে। ধূসর কুয়াশায় সন্ধ্যার মুখ দেয় ঢেকে। হালকা হিমের পরশে সন্ধ্যেগুলো বড়ো নির্জন মনে হয়,সর্বত্রএকটা মনকেমনের ছায়া!একাকীত্বের নির্জনতায় একা একা চোখ মেলে সগগো বাতি পথ দেখায় পূর্ব পুরুষদের। হেমন্তে নূতন ফসল কেটে ঘরে তোলার পালা । নূতন ধানের সঙ্গে নবান্ন উৎসব তো গ্রামীন জীবনের অন্যতম উৎসব।প্রকৃতির সঙ্গে মিলে মিশে থাকা পল্লীজীবনের পরতে পরতে জড়িয়ে থাকে কত না প্রবাদ ,কত গল্পের অবতারণা হয় দৈনন্দিনের জীবনকে ঘিরেই। সব গল্পই তাই জীবন মুখী,জীবনকে ঘিরেই তার যত উৎসব , আর তাই নিয়েই কত না গল্প গাথার আয়োজন!–সাবিত্রী দাস।
সম্পাদকীয়:
জীবন কখনও শূন্য থাকে না।একটি উৎসবের কাল শেষ হলে শুরু হয় আরো একটি উদযাপন।মৃন্ময়ী রূপে প্রকৃতি ও সৃষ্টির আরাধনা শেষে ভক্তকুল পরমব্রহ্ম বা নিরাকার সাধনের দুরূহ পথের যাত্রী হবেন এবার তাই শুভ হয় বিজয়া।বাহ্যিক শেষে অন্তরে চোখ।আমাদের শারদীয় উৎসব শেষে আবার শুরু পথ চলা।বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের অবশ্যই একটি অর্থনৈতিক দিকও আছে।পূজো শেষ হলে সারা বছরের রোজগার শেষে পরিবারের জন্য নতুন জামা কিনে ঘরে ফিরবেন ঢাকি রা,ছোটো ব্যবসায়ী,মৃতশিল্পীরাও।হেমন্তের শেষে নতুন খড় পড়বে চালে,নতুন করে বীজ বোনা শুরু।আমাদের চলা থামে না।সামনে শীতের উৎসব ও বইমেলা।সৃজন চলতেই থাকে।এভাবেই নতুন নতুন লেখায় ভরে উঠুক বার্ণালোকের চিরসবুজ পাতাগুলি।সকলকে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।উৎসব হোক জীবনের আবহমান।—-জয়িতা ভট্টাচার্য।
Wednesday, 9 November 2022
হঠাৎ ফোন -- সন্ধ্যা রায়
Tuesday, 8 November 2022
বন্দুকের খেলা--তাপসকিরণ রায়
বন্দুকের খেলা--
তাপসকিরণ রায়
অন্ধকার হাতড়ে যাচ্ছিলাম। একটা লাঠি, একি, লাঠি না, একটা পিস্তল মত কিছু একটা হাতে ঠেকলো। ওটাকে হাতে তুলে নিলাম। আমি চমকে উঠলাম না। আঁধারে চকমকিয়ে উঠলো পিস্তলটা। ঠিক এমনি সময় লোডশেডিং ভেঙে দপ করে আলো জ্বলে উঠলো।
আমার হাতে পিস্তল দেখে স্ত্রী, অমি, হেসে উঠলো, ওকি তোমার হাতে ওটা কি ? খেলনার পিস্তল!
হতে পারে খেলনা, আমি বললাম, কিন্তু এত ভারী কেন বলো তো ?
আসলটা কি করে আসবে শুনি? স্ত্রী বলে উঠলো।
তা ঠিক, তবে তোমার ভাই কিন্তু কাল এসেছিল, আমি বলি।
ভাইয়ের নাম শুনে স্ত্রী অসন্তুষ্ট হয়ে বলল, ও পার্টি করে ঠিকই, তবে পিস্তল নিয়ে ঘোরার মত ছেলে ও না।এ নিয়ে আর আমি বিন্দুমাত্র বিতর্কে জড়াতে চাইলাম না। কিন্তু শালাবাবুকে কতটা বিশ্বাস করা যায় তা আমিই জানি।
আমি পিস্তল হাতে নিয়ে আকাশের দিকে উঁচিয়ে ধরলাম। তারপর হঠাৎ খেলার ছলে স্ত্রীকে টার্গেট করে ট্রিগার চেপে দিলাম। ধুম, করে একটা শব্দ হল। চিৎকার দিয়ে স্ত্রীর রক্তাক্ত দেহ মাটিতে লুটিয়ে পড়লো।
মা-রা কি বেশ্যা হয়? -- মৌসম সামন্ত (অসুর)
মা-রা কি বেশ্যা হয়? --
মৌসম সামন্ত (অসুর)
"মা! এই রবিবারেও তোমার কাজ! কোথায় কি চাকরি করো গো? যার জন্য প্রতিদিন এত সকালে বেরিয়ে যাও আর কতো রাতে ফেরো? আর তোমাকে এতো দুর্বল-ই বা লাগে কেন? তোমার কি হয়েছে?" মাকে একটু চেঁচিয়েই বলে উঠলাম।
"বয়স হচ্ছে তো সোমু,তাই আর কি...! আচ্ছা আজ তাড়াতাড়ি আসার চেষ্টা করবো...ঠিক আছে?"
"আচ্ছা, পাড়ার লোক তোমার সাথে কথা বলে না কেন? ওই বখাটে ছেলেগুলো তোমার দিকে এমন কটুক্তির দৃষ্টি নিয়ে তাকায় কেন? আমি বুঝতে পারি না..." আমি বললাম।
"ওইটা মেয়েদের সমস্যা রে, তুই বুঝবি না। আমি আসছি, এসে রাতে গল্প করে ঘুম পাড়িয়ে দেবো, আজ প্রমিস আর হ্যাঁ, কেউ ডাকলে দরজা খুলবি না শুধুমাত্র আমি ছাড়া, আমি ডাক দিলেই। ঠিক সময়ে খাবারটা খেয়ে নিস।" মা বললো।
"মা, আমি স্কুলে যাবো না? সবাই স্কুল যায়, মজা করে আর আমি...!" এই বলে আমি একটু মনমরা হয়ে গেলাম।
মা বললো- "পরের মাসেই আমি তোকে হোস্টেলে ভর্তি করে দেবো বাবু! টাকাটা পুরো পেলেই..."
এরপর মা বেরিয়ে যায়। বুঝতে পারি না মা কি কাজ করে যে, এরকম একটা অদ্ভুদ সেজে বাড়ি থেকে বেরোয়। পাড়ার লোক মাকে দেখে থুতু ফেলে, বেশ্যা বলে। এ বাবা, বেশ্যা মানেটা কি মাকে জিজ্ঞেস করতেই ভুলে গেলাম। রাতে এলে জিজ্ঞেস করবো। নিশ্চয় চাকরির একটা দিক হবে, হয়তো কোন ভালো পোষ্ট। মা চলে গেছে সকাল ৮ টায়। এইসব ভাবতে ভাবতে সময়টা কখন যেন ১০টায় চলে এল। হঠাৎ সুব্রতদা এসে আমাদের ঠেকে এসে ব্যঙ্গ করে বলতে লাগলো- "ও মিনতি! আছো নাকি...একটা নতুন কাষ্টমার আছে, দুঘন্টায় ৪০০০ দেবে বলছে। তুমি কি রাজি? তবে বলো..."
আমি অবাক হয়ে জানলা দিয়ে বাইরে তাকালাম। সুব্রতদা আমাকে লক্ষ্য করে বলবো, "কি রে বেশ্যার ছেলে, তোর নাদুসনুদুস মা টা কই?"
আমি বুঝতে পারলাম না যে সুব্রতদা কি বলতে চাইলো। আমি বললাম- "মা তো বেরিয়ে গেছে! কেন?"
সুব্রতদা ঠোঁট বেঁকিয়ে পাশে দাঁড়ানো লোকটার সাথে কি একটা কথা বলে আমায় বললো..."তোর মায়ের নম্বর আছে?"
আমি মায়ের নম্বরটা গড়গড় করে বলে দি। অজানা লোকটা নম্বরটা লিখে নেয়। এরপর আমি ফোন নম্বর নিলো কেন জিজ্ঞেস করাতে সুব্রতদা বলে ওঠে- "তেমন কিছু না, তোর মায়ের সাথে একটু কাজ আছে আর কি..."
আমি ভাবলাম- "কি এমন কাজ,যার জন্য ৪০০০ টাকা!"
বাবা আমার মাকে ছেড়ে চলে গেছে আজ ৬ বছর, একটা অন্য মহিলকে বিয়ে করে সংসার করছে। সেই থেকে সংসারের হাল মায়ের এই চাকরি চালাচ্ছে।
রাত বাড়লো। মা এখনো ফেরেনি। আমি জানতাম, এটাই হবে আর তাই তাড়াতাড়ি খেয়ে একাই ঘুমিয়ে পড়লাম, তবে আজ সারাদিন একটা কথাই মাথায় ভাসছে, বেশ্যাটা কি!
এরপর মা এলো। দেখলাম ব্যাগটা রেখে বাথরুমে গেলো, চুলটা যেন দেখে মনে হলো কেউ টেনে ধরেছিল, মুখটা পুরো লাল, হাত-পা লাল, ঠোঁটটা মনে হলো কেউ ছিঁড়ে চিবিয়ে দিয়েছে, সারা শরীরটা যেন কোন ক্ষুধার্ত কুকুরের ক্ষুধা নিবারণ করেছে।
মা বেরিয়ে দেখল, আমি জেগে আছি। কোনরকম অপেক্ষা না করে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলাম, "বেশ্যা কি?"
মা কথার উত্তর দেয়না। ততক্ষণে মায়ের ব্যাগ খুলে প্রায় ৮০০০ টাকা আর ৭টা পেইনকিলার পেলাম আর সাথে ব্যাথার ঔষুধ।
মা একটাই কথা বলল যেটা আমার কানে আজও বাজে এই যে-
"আমি তোর মা, একদিন তুই বড়ো হবি, জানবি তোর মা কি কাজ করে, বেশ্যা কি সব সব...নয়তো সেদিন আমায় তুই ঘেন্নাও করবি, যা মন চায় করিস বাবা, শুধু মনে রাখিস সমাজের কাছে আমি বেশ্যা, তবে তোর কাছে আমি মা...সমাজ কি ভাবলো আমার কিছু যায় আসে না, তবে তুই ভাবলে আসে। আর বাবা, মায়ের থেকে বড়ো কাজ বা শব্দ হয়না!"
এই বলে মা কাঁদতে শুরু করে দিল।
আচ্ছা আপনারাই বলুন তো, মা-রা কি সত্যিই বেশ্যা হয়?
সমাপ্ত
সম্পর্ক -- ডঃ সুজিত কুমার বিশ্বাস
সম্পর্ক --
ডঃ সুজিত কুমার বিশ্বাস
-শুভ, -এই শুভ এদিকে আয় বাবা !
- হ্যাঁ বাবা বলো।
প্রমথেশ অবাক হয় বাবা ও ছেলের সংলাপ শুনে। যেন কত চেনা, কত দিনের কত পরিচিত সম্পর্ক। কিন্তু সে জানে শুভ বিকাশ বাবুর দত্তকপুত্র। যেদিন বিকাশ বাবু শুভকে পুত্র হিসাবে গ্রহণ করেন সেদিন প্রমথেশ হাজির ছিল সেখানে। আজ শুভ আর বিকাশবাবু সম্পর্কের বন্ধন তাকে অবাক করে দেয়। আর প্রমথেশ বাবু তার নিজের ছেলের কথা ভাবতে থাকেন। তার ছেলে এমবিবিএস পড়তে এখন ব্যাঙ্গালোর। শুধু মাঝে মাঝে কথা হয়। দেখা হয় ভিডিয়ো কলে, সাক্ষাৎ হয় এভাবেই।কিন্তু দেখা হয় না অনেকদিন। আজ এদের দুজনের সম্পর্ক দেখে নিজেকে অবাক হতে হয় প্রমথেশ বাবুর।
- ছেলে তো বড় হলো এবার একটা বিয়েথা তো দিতে হয়! প্রমথেশ জিজ্ঞাসা করে।
- সেটাই। আমি যে ভাবছি না, তা কিন্তু নয়। ভাবছি। কিন্তু হয়ে উঠছে না। তাছাড়া শুভও তেমন আগ্রহ দেখায় না।
শুভ ভালো ছেলে। পড়াশোনা করে। এখন বাবার প্রতিষ্ঠিত স্কুলেই কাজ করে সে। কিন্তু কোনো মেয়ের সাথেই সে যোগাযোগ করতে পারেনি। আজকের দিনে এটা ভেবে অবাক হতে হয়।
- আসলে কি জানো প্রমথেশ! আমার কোথায় একটা ঘাটতি আছে। একটা হীনমন্যতা কাজ করে এতদিন পর। কে কীভাবে নেবে এই ভেবে? এতদিন ছোটো ছিল সমস্যা হয়নি। কিন্তু-
- কিন্তু নয়! তোমাদের বন্ধন তো ভালো। দেখি আমিই একবার চেষ্টা করে।
- দেখো।
- ভাইটাকেও তো বিয়ে দিতে পারলাম না একই কারণে।
- মানে?
- কী কারণ?
- আমার বাবা ওকে দত্তক নিয়েছিলেন। ও তো আমার মায়ের পেটের ভাই নয়।
- এই তথ্যটা আমি এতদিনে জানতাম না।কিন্তু দুই ভাইয়ের বয়সের ব্যবধান দেখে একটা সন্দেহ যে প্রমথেশের হয়নি, তা কন্তু নয়।
- আসলে বলিনি। তাছাড়া আগেকার অনেকেই জানে বিষয়টি।
প্রমথেশ চুপ করে থাকে।
সমাপ্ত
মেয়ের জন্মপাপ -- বহ্নিশিখা
মেয়ের জন্মপাপ -- বহ্নিশিখা
প্রতিটা মানুষের চলার পথে কাঁটার বেড়া।
ইচ্ছানুযায়ী কাজের মাঠে হয় কাদা নয় কংক্রিট। দিতির জীবনে কোনদিন তার পরিকল্পনামতো কাজ সম্পন্ন হতে দেখেনি।
আজও বেলা আসেনি। দিতি ভাবে সবাই জপে আল্লাহ্ আল্লাহ্। আমি জপি বেলা বেলা, যন্ত্রণা!কি সমস্যা হলো কে জানে। ফোনটাও অফ। ওর ছেলেটা হয়ত কোন সমস্যা করেছে। এর হয়েছে জ্বালা।
কুড়ি বছর বয়সে বিয়ে।তারপরে আর এক কুড়ি পার করে দিলো জুয়ার আসর থেকে বরকে ঘরে ফেরাতে। এরমধ্যেই দুই ছেলের জন্ম দিয়ে ঝিয়ের কাজ নিয়েছে। আর কুড়ি চলে যাবে জুয়ারি বখাটে ছেলেকে জীবন চেনাতে।
"মেয়ে হয়ে জন্ম নেওয়া পূর্ব জন্মের পাপের ফল" ছোটবেলা শুনেছিল দিতি। নারীবাদী দিতি কুসংস্কারে বিশ্বাসী না হলেও আজকাল কথাগুলো তাকে খুব ভাবায়।
কি পাপ করেছিল বেলা? দু'দুটো পর্যায়ে পুরুষকে পথে আনতে রাতদিন এক করছে। হয়ত বেলার পরিশ্রম সার্থক হবে।হয়তো হবে না। ধুকে ধুকে নিঃস্ব হবে বেলার চোখের সামনেই। এই ফেরাতে না পারাই কি পাপ?
এমন অজস্র বেলার জীবন -বিত্তভেদে ভিন্নমুখী। কে খবর রাখে তার।তবুও নারীর পূর্ণোদ্দম সংসারে।অথচ বিশ্বসংসারে নারী এখনো উপেক্ষিত। লাঞ্ছনার শিকার।
ভাবতে ভাবতে নিঃসন্তান দিতির হাতে কাজ ফুরিয়ে যায়।সন্তানের মঙ্গল কামনায় এক মায়ের মনের হু হু করা কান্না তার বুকের ভিতর পৌষের শীতলতা অনুভব করে।ভুলে যায় ক্লান্তি। মাস কাবারি টাকায় বাঁধা বেলার কাজে না আসা।
সে জানে ঈশ্বরও মানুষের মতো লোভী। নাস্তিক দিতির প্রার্থনা ঈশ্বর শুনবে না জেনেও সে বিপথে যাওয়া বেলার ছেলের জন্য প্রার্থনা করে।
সমাপ্ত
ফিরে পেতে চাই --- শান্তা মিত্র
ফিরে পেতে চাই ---
শান্তা মিত্র
ফিরে পেতে চাই সেই সময়কে যেই সমযে ছিল না কোন দলাদলি, কথায় কথায় রেষারেষিতে জড়িয়ে পড়া আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা। ছিল শুধুই নিছক আনন্দের দিনগুলো আবেগ আর সরলতায় ভরা শৈশব। সেই সব স্মৃতিতে ভর করে আজও অনেক প্রতিভা ও শিল্পীর সৃষ্টি হয়। সেই সব সৃষ্টি ও তার শিল্পীরা আশেপাশে ছড়িয়ে রয়েছে যাদের আমরা প্রতিনিয়ত দেখছি। কিন্তু আজ আমাদের আগামী প্রজন্ম স্মার্ট ফোন নামক এক যন্ত্র তে আবদ্ধ হয়ে। আছে তাদের পুরো পৃথিবীটাই এখন এটা হয়ে গেছে। এটা কে তারা জন্ম থেকে দেখছে আর এই ফোনকে আঁকড়ে ধরেই বড় হচ্ছে ,তাদের খাওয়া থেকে শোওয়া অবধি সবটাই শুধুই মোবাইল ফোনকে সঙ্গে নিয়ে চলে । তাদের বড় হওয়া স্বপ্ন দেখা তাদের ভবিষ্যৎ এর সবকিছুই নির্ভর করছে এই ফোন ঘিরেই। তাদের আনন্দ করার জায়গাটাও এখন এটাতেই সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে মোবাইল ছাড়া তারা এক মুহূর্ত থাকতে পারেনা, মোবাইলের জন্য তারা সব করতে পারে। আজ এমন দিন এসেছে যে এই মোবাইলের জন্য তারা জীবনকেও শেষ করতে দ্বিধাবোধ করে না। আবার অনেকেই এর জন্য ভুল পথেও চলে যাচ্ছে। আজকাল একটা বাচ্চা জন্মেই স্মার্টফোন এ তারা খুব তাড়াতাড়ি অনেকটা স্মার্ট ও বড় হয়ে যাচ্ছে। এই ফোন নিয়েই যেন তাদের জীবনের সমস্ত কিছু চাওয়া পাওয়া দেনা পাওনা সব মিটে যায়। আজ এর জন্য খেলাধুলাকে ভুলে গেছে এবং আত্মীয় পরিজন বন্ধু-বান্ধব সব কিছু থেকে অনেকটা দূরে সরে গেছে আর এটাতেই তারা নিজেদেরকে খুব সুখী মনে করে। এর কারণে তাদের যে কত ক্ষতি হচ্ছে তা তো তারা বুঝতেই পারছে না। আর আমরা বাবা মা এরা বুঝেও বুঝিনা করেই তাদের সর্বনাশের দিকেই ঠেলে দিচ্ছি প্রতিনিয়ত বাচ্ছাদেরকে। আমরা বাবা-মা রা ভুলে তো ভুলেই গেছি তাদের অন্যভাবে বড় করতে। খুব সহজ হয়ে গেছে এই কাজ টা আমাদের কাছে এখন খালি ফোনটা ধরিয়ে দাও ব্যস কেল্লাফতে। আর এটাকে হাতে দেওয়া মানেই বাচ্চাদেরকে সমস্ত কিছু পাইয়ে দেওয়া কষ্ট করতে হয়না আর কি। খুব সহজ হয়ে গেছে এখন বাচ্চাদের বড় করাটা। এই প্রজন্মটা সমস্ত কিছু হারিয়ে ফেলেছে আমরা যেগুলো পেয়েছি তারা তার কিছুই পেলনা। আজ একটা বাচ্চার কাছ থেকে মোবাইল কেড়ে নিলে সে খুব কষ্ট পায় কাঁদে জেদ করে । আর সে যখন আরেকটু বড় হয় তখন তাদের সেই জেদ এমন পর্যায়ে চলে যায় যে, অনেক বাচ্চারা অভিমানে কষ্টে সুইসাইড পর্যন্ত করে ফেলে। তবে সকলেই সমান হয় না তাদের মধ্যে কেউ কেউ এই মোবাইল নিয়েই জীবনে অনেক দূর এগিয়ে গেছে আর যায় ।আর ভালো একটা ভবিষ্যৎ তৈরি করে ফেলে। আমরা আমাদের ছোটবেলায় কেমন ভাবে কাটিয়েছি কেমন ভাবে মাঠে ঘাটে খেলা করেছি এর তার বাগানের ফল ফুল চুরি করেছি কত আনন্দ করেছি আবার সবকিছুর পর বাড়িতে এসে বই নিয়ে বসেছি। লুকিয়ে সিনেমা দেখা আড্ডা মারা গল্প করা মধ্যে যে কি মজা ছিল সেটা আমরাই জানি। এইসব কিছুর পিছনে একটা মধুর শৈশব লুকিয়ে ছিল । আর সেই বড় হওয়ার পিছনের যে আনন্দ ছিল সেসব তারা পায় না, এগুলো ওদের কাছে অচেনা অজানাই রয়ে গেল । কিছু বাচ্চা তো ফোন এডিক্টেড হয়ে এক একটা ভয়ংকর মানসিক রোগীতে পরিণত হয়ে গেছে ।এর থেকে ওদেরকে আমাদের কেই উদ্ধার করতে হবে।
আর এই প্রজন্মদের কে এই অসুখ ও ধ্বংসের থেকে রক্ষা করতে হবে আগামী ভবিষ্যতের জন্য । তার জন্য এগিয়ে আসতে হবে আমাদের মত বাবা মা দেরকেই ওদের একটা সুস্থ ও সুন্দর জীবন উপহার দেওয়ার জন্য । তবেই আগামী প্রজন্মের কাছে আমরা সত্যিকারের বাবা-মা হতে পারব । তখনই আস্তে আস্তে পৃথিবীটা আগের মত সুন্দর ও উন্নত হবে। আর প্রতিহিংসাপরায়নতা মানুষে মানুষে যুদ্ধ এসব শেষ হয়ে গিয়ে আর একটা নতুন পৃথিবী গড়ে উঠবে থাকবে শুধুই ভালোবাসা ভরা মিষ্টি জীবন। আসুন আমরা হাতে হাত ধরে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই ফিরিয়ে দিই ওদের সেই হারিয়ে যাওয়া ছেলেবেলাকে।
সমাপ্ত
ভরসার দিনে -- অদিতি ঘটক
ভরসার দিনে --
অদিতি ঘটক
স্কুল থেকে বেরিয়ে একটু এগোতেই চড়বর করে বড় বড় ফোঁটায় হঠাৎ বৃষ্টি। ছাতাতেও এই বৃষ্টি আটকানো অসম্ভব তার মধ্যে উলোট পালোট হাওয়া। অসময়ের বৃষ্টি। রিক্তা সামনেই একটা বন্ধ দোকানের শেডের নিচে দাঁড়ালো। এলোমেলো ছাঁটে বেশ ভিজে গেছে।
ছাতা বন্ধ করতে করতে আরো একজন এসে দাঁড়ালো। তারও জামা প্যান্ট একই রকম। হঠাৎই করেই এই তুমুল বৃষ্টিতে রাস্তা প্রায় নিমেষে ভোজ বাজির মতো ফাঁকা হয়ে গেছে। দু পাশের দোকান পাট বন্ধ। এই দুপুরেই যেন সন্ধে ঘনিয়ে এসছে। শুধু মাঝে মাঝে কালো আকাশের গায়ে বিদ্যুতের আঁকিবুকি খেলা আর কড়কড় শব্দ।
আজকের সাথে সেদিনের কত মিল। সেদিনও আজকের মতোই আকাশ কালো, সেদিনও স্কুলফেরত। হুড়মুড়িয়ে অঝোর বৃষ্টি। রিক্তা একছুটে বেণী দোলাতে দোলাতে টিনের শেডের তলায় ঢুকে পড়ে। একটা ভেজা সাদাশার্ট, কালোপ্যান্ট, সাইকেলও ঠিক অমনি হন্তদন্ত হয়ে ঢুকে যায়। দুজনের চোখে মুখে মাথায় বৃষ্টির ফোঁটা। সদ্য আধ ফোটা বৃষ্টি স্নাত কুঁড়ির মত সৌন্দর্য ঝরে পড়ছে যৌবনের দোরগোড়ায় দাঁড়ানো দুজনের দেহ থেকে। আড় চোখে দুজন দুজনকে দেখে। চোখাচোখি হতেই চোখ নামিয়ে নেয়। একটা অজানা শিরশিরে ভালো লাগায় মন ভরে ওঠে।
একটু পরেই জোরে বিদ্যুৎ চমকায়। তারপরই মেঘের দুন্দুভি নির্ঘোষ। রিক্তা ভয়ে শিউরে ওঠে। সাদাশার্ট সসঙ্কোচে হাত বাড়ায় কিন্তু সম্পূর্ণ প্রসারিত নয়। আঙ্গুলগুলো দ্বিধা, দ্বন্দ্বে, লজ্জায় কুঁকড়ে।
তারপর কতবার ভিজে পথ শুকোলো কতবার বর্ষায় উপচানো নদীর জল কমলো। কতবার বৃষ্টিস্নাত গাছ পাতা হারিয়ে রিক্ত হল।
সেদিনের মতোই আজও জোরে বিদ্যুতের চমক। মেঘের দুন্দুভি। ভয়ে শিউরে ওঠা। সেদিনও বাড়ানো হাতটা লজ্জা, দ্বিধা, দ্বন্দ্বে কুঁকড়ে ছিল।
আজও।
তবুও গ্রন্থিহীন কোনো অদৃশ্য বন্ধন যেন হাওয়ার মতো দুজনের মাঝে বয়ে যায়। যা দেখা যায় না। শুধু অনুভব করা যায়।
সমাপ্ত
Monday, 7 November 2022
রাজু -- স্বপ্না মজুমদার
Sunday, 6 November 2022
স্ক্রীন --সমরেন্দ্র বিশ্বাস
স্ক্রীন --
সমরেন্দ্র বিশ্বাস
এই দিনগুলোয় মোবাইলের স্ক্রীনে ধরে রাখা আছে আমার যাবতীয় মুখপাত, আমার কাজের যাবতীয় সংলাপ, আমার বলার সবটুকু কথা, আমার দেখার সবটুকু চোখ।
অথচ আগে এমন ছিল না। আমার সমস্ত কাজ ছড়িয়ে থাকতো মাঠে, প্রান্তরে, জনপদে। আমার সব কথা ভেসে থাকতো বাতাসে বাতাসে, আমার ফুলগুলো ভালোবাসা হয়ে ফুটে উঠতো সবুজ গাছে।
স্ক্রীনে বন্দী রাখা এ কেমন মোবাইল আর কমপিউটরের সভ্যতা? এ কোথায় আজ আমরা সবাই আটকে আছি!
ঘরে ফিরে আজ আমি একলা কমপিউটরের দিকে তাকিয়ে চেঁচিয়ে উঠলাম - আমায় ফিরিয়ে দাও আমার নিজের মুখ, আমার দেখার চোখ। ওহে নীলাভ আলোর বৈদ্যুতিক স্ক্রীন! ফিরিয়ে দাও আলো হাওয়া গাছ ফুল পাখি, জীবনের মধ্যে মিশে থাকবার যাবতীয় আনন্দ; ফিরিয়ে নাও তোমার মাদার – বোর্ড; ফিরিয়ে নাও স্ক্রীনে ধরে রাখা তোমাদের যাবতীয় মুখছবি।
আমার চেঁচামেচি শুনে কমপিউটরটা নড়ে চড়ে উঠলো, ওর স্ক্রীনের মধ্য দিয়ে বেরিয়ে আসা দুটো হাত আমার দিকে হাত জোড় করে ফ্যাসফ্যাসে গলায় বলতে লাগলো – আমারও বড় ক্লান্তি লাগে, দেখো না আমার সিগন্যাল রাতদিন কেমন বাজেয়াপ্ত হয়ে গেছে। জবরদস্তি সারা দিন আমিও কেমন শশ্রুষাবিহীন জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আছি!
সন্দেহের পরিণতি-- মহা রফিক শেখ
সন্দেহের পরিণতি--
মহা রফিক শেখ
হৈমন্তীর সাথে রানার প্রায়ই ঝগড়া লেগেই থাকে। রোজ সন্ধ্যায় রুটিন মাফিক কিচিরমিচির। দুপুরের দিকে ফোনে হৈমন্তীর চেল্লামিল্লি। সম্পর্কে দুজনের স্বামী স্ত্রী। বিগত পাঁচ বছরের বৈবাহিক সম্পর্ক। তবুও কোথাও যেন একটা টানাপোড়েন।
আসলেই হৈমন্তী প্রথম থেকে সন্দেহপ্রবণ। সন্দেহ বাতিকে ভুগছে। যেকোনো বিষয়ে- যে কোন সময়ে।
কখনো বা সীমা অতিক্রম করে হুলুস্থুল কান্ড ঘটিয়ে দেয়। এই ব্যাপার গুলো মোটামুটি পাড়ার লোকেরা জেনে গেছে।
রানা বেচারা শিক্ষিত ভদ্রলোক। বহু কষ্টে লেখাপড়া করে আজ একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে কাজ করে। টার্গেট আর প্রেশারে বেচারার দম ফেলার সময় নেই। কিন্তু এরই মাঝে তার স্ত্রী হৈমন্তী "সন্দেহ সন্দেহ" করে তাকে দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে।
অফিসে গেলে কোন মহিলা সহকর্মীর সাথে রানার নাকি প্রেম আছে। অফিসের বাইরে গেলে কোন মেয়েকে নাকি দেখে। কোন অপরিচিত মেয়েকে নিয়ে নাকি শপিং করাতে যায়। পার্কে মেয়েদের সাথে ঘুরঘুর করে। নিজের বাড়ি এলে পাড়ার কোন মেয়ের সাথে নাকি রানার প্রেম চলে-। ইত্যাদি ইত্যাদি। এরকম হাজারো উদ্ভট অবাস্তব ভাবনার তীর রানার দিকে ছুঁড়ে দেয়। বউয়ের ভ্রান্ত সন্দেহে এবং অফিসের চাপে রানা আত্মহত্যারও সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু বাচ্চার মুখ চেয়ে কিছু করতে পারেনি। রানা একদিন সিদ্ধান্ত নিল যে হৈমন্তীকে শহরের ভালো একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ কে দেখাবেন। সেইমতো এক ডাক্তারের এপয়েন্টমেন্ট করে হৈমন্তীকে পরের দিন দুপুর বারোটার সময় আসতে বলল নির্দিষ্ট চেম্বারে। আর রানা অফিসের একটা জরুরী কাজ সেরে ঠিক বারোটায় ওই চেম্বারে হাজির হবে। এ রকমই কথা হল- দুজনের মধ্যে। সকাল হতেই হৈমন্তী বারোটার অনেক আগেই পৌঁছে গেল ওই চেম্বারে। বারবার ফোন করতে লাগলো রানাকে। কিন্তু কোন রিপ্লাই আসছে না।। ক্রমাগত রিং বেজেই চলছে। কোন সাড়া নেই। হৈমন্তী প্রচন্ড রেগে গেলেন এবং তার সন্দেহ বাতিকতা ক্রমশ ঝড়ের আকারে বাড়তে লাগলো। রাগে তার মুখ একেবারে লাল হয়ে গেছে। হঠাৎ চেম্বার থেকে কিছুটা দূরে প্রচুর মানুষের জটলা এবং চিৎকার চেঁচামেচির আওয়াজ কানে আসতে লাগলো। পাশের একটা লোককে হৈমন্তী জিজ্ঞাসা করল "কি হয়েছে ওখানে? লোকটি বলল- একটা মারাত্মক বাইক দুর্ঘটনায় একটা লোক নিস্তেজ অবস্থায় পড়ে আছে। রক্তে সারা রাস্তা ভেসে যাচ্ছে। হৈমন্তী কৌতুহলবশতঃ সেখানে গিয়ে হতবাক। তার নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছে না। এতো তারই স্বামী! পাশে পড়ে থাকা ফোনটা তখনো অবিরত বেজে চলছে - হয়তো অফিসের কোন বসের। হঠাৎ সাইরেন বাঁচিয়ে একটা গাড়ি এল। না ,কোন এম্বুলেন্স নয় । শববাহ গাড়ি। চোখের নিমেষে নিথর রানাকে নিয়ে চলল - শান্তির শেষ গন্তব্যে। মহা শ্মশানে।
হয়তো সন্দেহের অবসান এবার ঘটবে।
সমাপ্ত
Saturday, 5 November 2022
স্মৃতি শেখর মিত্রর গল্প --ঈশ্বর ভরসা
অন্য পুজো--রুচিরা মুখোপাধ্যায় দাস
বামনডাঙ্গা হল্ট--অর্ঘ্য শুর রায়
সময়ের গুরুত্ব--অনুভা সরকার
প্রেরণা বড়াল(লিলি)--আমার বোনাই
তারিণীখুড়ো ও কলম-চরিত মানস ! --শ্যামাপ্রসাদ সরকার।
ক্ষুধা --সুনীল কর্মকার
বাঞ্ছারাম ও ননীর মা--শংকর ব্রহ্ম
Friday, 4 November 2022
পাকচক্র--জয়িতা ভট্টাচার্য
সাবিত্রী দাসের গল্প--যে গল্প লেখা হয়নি ও আহ্বান
অখন্ড অবসর গল্প---রানী সেন
কৌস্তুভ দে সরকার--শোভাযাত্রা
শ্রদ্ধাত্রয়ো যোগ সপ্তদশ অধ্যায়--অনুবাদ তথা গল্প রূপান্তর --বীরেন্দ্রনাথ মন্ডল
শ্রদ্ধাত্রয়ো যোগ সপ্তদশ অধ্যায় -- অনুবাদ তথা গল্প রূপান্তর -- বীরেন্দ্রনাথ মন্ডল ------------------------------------------- ...







